২৪ জুলাই রাতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরগুনা জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটি অনুমোদন দেন। এতে ৩৩ জনকে পদ দেওয়া হয়। কমিটিতে রেজাউল কবিরকে সভাপতি ও তৌশিকুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

কমিটি ঘোষণার পর বরগুনা শহরে পদবঞ্চিত নেতা ইফরান আহম্মেদ, সবুজ মোল্লা ও সাইফুল ইসলাম ওরফে সাগরের কর্মী-সমর্থকেরা হামলা ও ভাঙচুর করেন। এর পর থেকে নতুন কমিটি বাতিলের দাবিতে নানা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন তাঁরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শহরের এক ব্যবসায়ী প্রথম আলোকে বলেন, প্রতিদিন যেভাবে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা হামলা-ভাঙচুর করছেন, এতে ব্যবসা করা মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা সব সময় আতঙ্কে থাকেন, কোনো সময় আবার হামলা হয়।

জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির সভাপতি রেজাউল কবির প্রথম আলোকে বলেন, ‘সদ্য ঘোষিত কমিটির সহসভাপতি সবুজ মোল্লা ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য সাইফুল ইসলাম সাগরের নেতৃত্বে তাঁদের কর্মী-সমর্থকেরা গতকাল রাতে শহরে হামলা ও ভাঙচুর করেন। পরে তাঁরা শহরে ধর্মতলা এলাকায় আসার পথে আমার নেতা–কর্মীরা তাঁদের বাধা দেন। এ সময় তাঁরা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। জেলা ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে সবাই খুশি হলেও একটি মহল এ বিষয়ে নাখোশ।’

অভিযোগের বিষয়ে সবুজ মোল্লা প্রথম আলোকে বলেন, যে কেউ যে কারও নামে অভিযোগ করতেই পারেন। তবে অভিযোগের সত্যতা কতটুকু, তা আগে দেখতে হবে। এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী আহমেদ বলেন, ‘এসব বিষয়ে এখন পর্যন্ত আমরা কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন