আহত যুবদল নেতা ও প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে উপজেলা প্রশাসন কমপ্লেক্সের ভেতরের রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন রবিউল করিম। তখন পেছন দিক থেকে একদল তরুণ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর হামলা করেন। হামলায় তাঁর মাথা ফেটে যায়। প্রাণে বাঁচতে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় দৌড়ে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়ক পার হয়ে একটি দোকানে আশ্রয় নেন। খবর পেয়ে যুবদল নেতার মহল্লা থেকে লোকজন ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে হামলার প্রতিবাদে নান্দাইল পুরাতন বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করেন স্থানীয় লোকজন।

এ বিষয়ে রবিউল করিম ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, যশোরের যুবদল নেতা বদিউজ্জামানের হত্যার প্রতিবাদে নান্দাইল চৌরাস্তা এলাকায় কালো ব্যাজ ধারণের একটি কর্মসূচি ছিল যুবদলের। তিনি উপজেলা প্রশাসন কমপ্লেক্স মসজিদে আসরের নামাজ পড়ে অনুষ্ঠানস্থলে যাওয়ার জন্য হেঁটে মহাসড়কের দিকে যাচ্ছিলেন। তখন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কিছু তরুণ তাঁর ওপর হামলা চালান। প্রাণে বাঁচতে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় দৌড়ে নান্দাইল পাইলট উচ্চবালিকা বিদ্যালয় মার্কেটের একটি দোকানে আশ্রয় নেন। সেখানেও তাঁর ওপর হামলা করা হয়। পরে পরিচিত লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে রক্ষা করেন।

রবিউল করিম ভূঁইয়া তাঁর ওপর হামলার জন্য নান্দাইল পৌর বিএনপির সভাপতি এ এফ এম আজিজুল ইসলাম ও তাঁর সমর্থকদের দায়ী করেছেন। তাঁকে হত্যার জন্যই এই হামলা চালানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে এ এফ এম আজিজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, হামলার সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এই ঘটনার পর কিছু লোক দা-বল্লম ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁর বাড়িতে হামলা করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আকন্দ মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। দলীয় কোন্দলের কারণে এই ঘটনা ঘটতে পারে। এই ঘটনায় থানায় এখনো কেউ অভিযোগ দেননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন