ভোটের আগমুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা কাজী খায়রুজ্জামান (শিপন)। তফসিলে ঘোষিত প্রচারণার সময় শেষ হওয়ার পর আজ মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এ ঘোষণা দেন।
কাজী খায়রুজ্জামান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন। দলীয় মনোনয়নবঞ্চিত হয়ে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। কিন্তু যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়নপত্র বাতিল হলে খায়রুজ্জামান নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন। পরে মনোনয়ন ফিরে পেয়ে ‘হরিণ’ প্রতীক নিয়ে প্রচারণায় নামেন।
দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় গত ২১ জানুয়ারি খায়রুজ্জামানকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। বিএনপির নেতা-কর্মী ও স্থানীয় ভোটাররা বলছেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি প্রচার-প্রচারণায় সরব থাকলেও সেভাবে ভোটারদের নজর কাড়তে পারেননি।
আজ সংবাদ সম্মেলনে কাজী খায়রুজ্জামান অভিযোগ করেন, ‘আমার নিজের ও কর্মীদের জীবনের শঙ্কা আছে। নির্বাচনের জন্য এখনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়নি। বিদেশি নম্বর থেকে আমার কর্মী ও আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমরা মনে করি, মোরেলগঞ্জ-শরণখোলায় সুষ্ঠু নির্বাচন হবে না, এরই পরিপ্রেক্ষিতে আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছি।’
বাগেরহাট-৪ আসনে খায়রুজ্জামান ছাড়াও বিএনপি থেকে সোমনাথ দে, জামায়াতের মো. আবদুল আলীম, ইসলামী আন্দোলনের মো. ওমর ফারুক, জাতীয় পার্টির সাজন কুমার মিস্ত্রি ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) মো. আ. লতিফ খান নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তবে আসনটিতে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন সাধারণ ভোটাররা।