আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল শেষে যুবদল নেতারা পাথরঘাটা উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিলে উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন ওই হামলা চালান। ছাত্রলীগ নেতাদের কিল–ঘুষিতে ৫ জন যুবদল নেতা আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অপর চারজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

মিছিল থেকে কটূক্তিমূলক স্লোগান না দিতে তাঁদের বারবার অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা অনুরোধ না রাখায় দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে সমাবেশ করতে বলা হয়। এতে তাঁরা রাজি না হওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে সামান্য হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।
মোহাম্মদ ওয়ালিদ মক্কী, সভাপতি, পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রলীগ

আহত ব্যক্তিরা হলেন পাথরঘাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হাচান আল বকর মেছাল, পাথরঘাটা পৌর যুবদলের জ্যেষ্ঠ সদস্য সোহেল পহলান, পাথরঘাটা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন, পাথরঘাটা পৌর যুবদলের আহ্বায়ক সোহানুর রহমান এবং পাথরঘাটা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি গিয়াস আহমেদ।

পাথরঘাটা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক চৌধুরী মো. ফারুক প্রথম আলোকে বলেন, যুবদলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশের উপস্থিতিতে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা হামলা চালিয়েছেন। পাথরঘাটায় বিএনপির কর্মসূচি করতে গেলে তাঁরা এভাবে হামলা ও বাধা দিয়ে থাকেন। আজকেও ঠিক একইভাবে ছাত্রলীগ নেতারা গায়ে পড়ে যুবদলের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিলে হামলা চালিয়েছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাম্মদ ওয়ালিদ মক্কী বলেন, মিছিল থেকে কটূক্তিমূলক স্লোগান না দিতে তাঁদের বারবার অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা অনুরোধ না রাখায় দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে সমাবেশ করতে বলা হয়। এতে তাঁরা রাজি না হওয়ায় দুই পক্ষের মধ্যে সামান্য হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে।

এ ব্যাপারে পাথরঘাটা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সময় উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়েছে। শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সতর্ক রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন