আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী আবুল কাশেম প্রথম আলোকে বলেন, দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. আরিফুল ইসলাম ২০১২ সালে পুলিশের কনস্টেবল পদে নিয়োগের সময় নিজের বাবাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দাবি করে ভুয়া সনদ জমা দেন। এরপর আসামি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরি নেন এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন। নিয়োগের কিছুদিন পর বিষয়টি জানাজানি হয়। তদন্তে মুক্তিযোদ্ধার ভুয়া সনদের বিষয়টি প্রমাণিত হয়। এরপর ২০১৩ সালে নোয়াখালী পুলিশ লাইনসের তৎকালীন রিজার্ভ অফিসের উপপরিদর্শক (এসআই) শরীফুল ইসলাম বাদী হয়ে চাটখিল থানায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেন।

আইনজীবী আবুল কাশেম বলেন, মামলার পর অভিযুক্ত কনস্টেবল আরিফুল ইসলামকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে মামলাটি দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে রায় দিয়েছেন। রায়ে আদালত আসামি আরিফুলকে ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮ ও ৪৭১ ধারায় মোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড ও ৪টি ধারায় ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেন। সব সাজা একসঙ্গে কার্যকর হওয়ায় আসামিকে পাঁচ বছর সাজা খাটতে হবে। তবে দণ্ডপ্রাপ্ত আরিফুল পলাতক আছেন।