মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাণীনগর সদর ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলন চলছিল। বেলা ১১টার দিকে আওয়ামী লীগের কর্মী মিজানুর রহমান, ছাত্রলীগের কর্মী রাসেল, রাজসহ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতা–কর্মী সম্মেলনের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিএনপির নেতা–কর্মীরা তাঁদের ওপর হামলা চালান। এতে ছাত্রলীগের কর্মী রাজ, রাসেলসহ ছয়-সাতজন আহত হন। এ ঘটনায় ওই দিন রাতে ছাত্রলীগের কর্মী রাসেল বাদী হয়ে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের ১২ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৪০ থেকে ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

তবে বিএনপি দাবি করেছে, কোনো ধরনের উসকানি ছাড়াই ওই সম্মেলনে হামলা চালিয়েছেন আওয়ামী লীগের কর্মীরা। এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিকেলে নওগাঁয় জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপির নেতারা। সেখানে তাঁরা অভিযোগ করেন, বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশে কোনো রকম উসকানি ছাড়াই আওয়ামী লীগের কর্মীরা হামলা চালিয়ে তাঁদের ২০ থেকে ২৫ জন নেতা–কর্মীকে আহত করেছেন। এ ছাড়া সম্মেলনস্থলে চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করেছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। আগামী ৩ ডিসেম্বর রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ ব্যর্থ করার উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগ মিথ্যা মামলা দিয়ে তাঁদের হয়রানি করছে বলে অভিযোগ বিএনপির নেতাদের।

রাণীনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন বলেন, ‘যে দুজন যুবদল কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁদের নাম মামলার এজাহারে উল্লেখ ছিল না। হামলা করল আওয়ামী লীগ আর মামলা হয়েছে আমাদের বিরুদ্ধে। এখন পুলিশ বিএনপির নেতা–কর্মীদের বাড়ি বাড়ি অভিযান চালাচ্ছে।’