প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচি পালনকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক এ এইচ এম মাহবুবুর রহমান বলেন, উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার পর থেকে চার বছরে একাডেমিক, প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয়ে সীমাহীন দুর্নীতি করেছেন। তাঁর ইচ্ছেমতো বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম পরিচালনা করেন। বিভিন্ন সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগে স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতি করেন। নানা অনিয়মের সঙ্গে তিনি জড়িয়ে পড়েন। তাঁকে অপসারণ না করা পর্যন্ত এই আন্দোলন চলতে থাকবে।

শিক্ষকদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম, অব্যবস্থাপনার প্রতিবাদ ও সমাধানের দাবিতে ২ নভেম্বর উপাচার্য বরাবর ১০ দফা–সংবলিত স্মারকলিপি দেন শিক্ষকেরা। ৬ নভেম্বর এসব বিষয় নিয়ে উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে চার ঘণ্টা আলোচনা হয়। কিন্তু শিক্ষকদের দাবি সমাধানের জন্য কর্তৃপক্ষ কোনো উদ্যোগ নেয়নি। উল্টো উপাচার্য জানিয়েছেন, শিক্ষকদের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কর্মবিরতিতে তাঁর কিছুই আসে যায় না। ফলে টানা ১২ দিন ধরে শিক্ষকেরা কর্মবিরতি পালন করে যাচ্ছেন। সেই সঙ্গে নতুন করে উপাচার্যের অপসারণের দাবিও তুলে ধরছেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘শিক্ষকেরা আমার সন্তানের মতো। তাঁদের সব দাবি-দাওয়া মেনে নেওয়া হয়েছে। তারপরও তাঁরা কেন আন্দোলন করছেন, সেটা আমার জানা নেই। আর আমি যদি দুর্নীতি বা অনিয়ম করে থাকি, তাহলে আগে তো কখনো তাঁরা এসব অভিযোগ করেননি। হঠাৎ করে, আমার শেষ সময়ে কেন এই অভিযোগ করছেন। পুরো বিষয়টি রহস্যজনক।’