কার্গোটির মাস্টার জাকির হোসেন বলেন, মোংলা থেকে চার দিন আগে ইউরিয়া নিয়ে তাঁরা কীর্তনখোলা নদীর তীরে কেডিসি এলাকায় বিএডিসির ঘাটে পৌঁছান। গতকাল সন্ধ্যায় পর ঘাটের পন্টুনের উত্তর পাশ থেকে এক লোককে পানিতে পড়ে যেতে দেখেন অন্য শ্রমিকেরা। প্রথমে ঘাটের কোনো শ্রমিক বলে ভেবেছিলেন তাঁরা। কিছুক্ষণ পর শ্রমিকেরা এসে তাঁকে জানান যে ফরিদকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর আশপাশে খুঁজে না পেয়ে তাঁরা সাহায্যের জন্য জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। পরে খোঁজাখুঁজির পর রাতে পন্টুনের নিচ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক বেলাল উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে ডুবুরি নিয়ে উদ্ধারে নেমে পড়েন তাঁরা। পরে পন্টুনের নিচ থেকে রাতে ফরিদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ কার্গোর মাস্টারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।