শামসুদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর নিজের কোনো জায়গাজমি নেই। সারা জীবন অন্যের জমিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেছেন। চার সদস্যের পরিবারে খরচ চালানোর পাশাপাশি বড় বোনের খরচ চালান তিনি। সন্তানের চিকিৎসার প্রয়োজনে কোথাও গেলে সেদিন হাঁড়ি চড়ে না তাঁদের। সম্পদ বলতে যা ছিল, সবই ছেলের চিকিৎসায় ইতিমধ্যে শেষ করে ফেলেছেন।

শামসুদ্দিন আরও বলেন, তাঁর শ্বশুরেরও কোনো সম্পদ নেই। নদীর ধারে খাস জমিতে তাঁদের বসবাস। চিকিৎসকেরা এখন বলছেন, সিজানকে বাঁচাতে হলে পুরো চিকিৎসা শেষ করতে প্রয়োজন আরও চার লাখ টাকা। যা কোনোভাবেই তাঁর পরিবারের পক্ষে জোগাড় করা সম্ভব নয়।

বাংলাদেশ বিশেষায়িত হাসপাতালের শিশু ও হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞ নুরুন নাহার ফাতেমা নিশ্চিত করেছেন, জন্ম থেকেই সিজানের হৃদ্‌যন্ত্রে তিনটি ছিদ্র আছে। চিকিৎসা করে পুরোপুরি সুস্থ করাটা অনেক ব্যয়বহুল।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন