মাগুরায় মহাসড়কে প্রচারণা, জামায়াতের দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ
মাগুরায় নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম দিনে মহাসড়কে জনসংযোগ ও সভা করার অভিযোগ উঠেছে জামায়াতের দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধে।
নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী বা তাঁর পক্ষ থেকে জনগণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে—সড়ক বা মহাসড়কে এমন কোনো পথসভা বা কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ করা যাবে না।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে শহরের ভায়না মোড় এলাকায় দুই দফায় নেতা–কর্মীদের নিয়ে অবস্থান নেন মাগুরা-১ আসনের প্রার্থী ও সাবেক জেলা আমির আবদুল মতিন এবং মাগুরা-২ আসনের প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমির মো. মুশতারশেদ বিল্লাহ। এতে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে সাময়িক যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাগুরা-১ আসনের প্রার্থী আবদুল মতিন ও মাগুরা-২ আসনের প্রার্থী মো. মুশতারশেদ বিল্লাহ শতাধিক নেতা–কর্মী নিয়ে ভায়না মোড়ের ছয় রাস্তার মোড়ে জড়ো হন। এ সময় তাঁরা দলীয় প্রতীক দাঁড়িপাল্লা দেখিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন। পরে সেখান থেকে ১০–দলীয় জোটের নেতা–কর্মীদের নিয়ে একটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি শহরের চৌরঙ্গীর মোড় ও ঢাকা রোড প্রদক্ষিণ করে আবার ভায়না মোড়ে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
ভায়না মোড়ে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, দুই দফায় প্রায় ২০ মিনিট গোলচত্বরকে কেন্দ্র করে নেতা–কর্মীরা অবস্থান নেওয়ায় যান চলাচলে সাময়িক বিঘ্ন ঘটে।
মাগুরা-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থী মো. মুশতারশেদ বিল্লাহ বলেন, ‘এটাকে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ বলা যাবে না। আমরা আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরুর অংশ হিসেবে সেখানে জড়ো হয়েছিলাম। সেখান থেকে একটি মিছিল শুরু করে শহর প্রদক্ষিণ শেষে মোনাজাতের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ করেছি। সব মিলিয়ে আমরা সেখানে ছয়-সাত মিনিট ছিলাম।’
মাগুরার জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘সড়ক বা মহাসড়ক আটকে সভা-সমাবেশ করা স্পষ্টত আচরণবিধির লঙ্ঘন। আমি বর্তমানে খুলনায় দাপ্তরিক কাজে আছি। ফিরেই বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’