মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বিয়ের আগে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন বাদশা মিয়া ও আলমগীর মিয়া। সেই ভিডিও গোপনে ধারণ করা হয়। এরপর সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে আবারও তাঁকে ধর্ষণ করা হয়। কয়েক মাস আগে ওই নারীর বিয়ে হয়। তিনি বর্তমানে দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা। গত বুধবার দুপুরে ওই গৃহবধূ তাঁর বান্ধবীর বাড়িতে পাওনা টাকা আনতে যাচ্ছিলেন। পরে বাদশা ও আলমগীর তাঁকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে একটি হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করেন।

ওই গৃহবধূ বলেন, বাদশা ও আলমগীর তাঁর দাম্পত্যজীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছেন। তিনি দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান।

ওই গৃহবধূর স্বামী বলেন, ‘আমার স্ত্রী অন্তঃসত্ত্বা। আমি একজন প্রবাসী। দোষী ব্যক্তিদের বিচার না হলে তাঁরা আরও ভয়ংকর কাজ করতে পারেন।’

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কসবা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, গৃহবধূর স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে ২২ ধারায় জবানবন্দি নেওয়া হবে।

কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন বলেন, দুই আসামির একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন