এই সাংবাদিকেরা অভিযোগ করেন, তাঁদের ভিডিও ধারণ করতে দেখে ক্ষেপে যান সেখানে উপস্থিত সিনিয়র সহকারী কমিশনার পার্থ প্রতিম শীল। তিনি ছুটে এসে তাঁদের হাত থেকে মুঠোফোনগুলো ছিনিয়ে নেন। এরপর সেখানে আসেন জেলা প্রশাসকের দপ্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সালমা সেলিম, রাজীবুল ইসলাম খান ও মো. শরিফুল হক। তাঁরা একে একে মুঠোফোনে থাকা ভিডিওগুলো মুছে ফেলেন। এরপর তাঁরা সাংবাদিকদের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সেলিম রেজার কক্ষে নিয়ে যান। তবে তিনি তখন কক্ষে ছিলেন না। সেখানে নানাভাবে তাঁদের হেনস্তা ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে এ ঘটনায় কোনো সংবাদ লিখবেন না মর্মে মুচলেকা নেওয়া হয়। তারপর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

সাংবাদিক আলী হাসান বলেন, গত তিন দিন তাঁর মানসিক কষ্টে কেটেছে। কাউকে কিছু বলতে পারেননি। প্রশাসনের কর্মকর্তারা লিখে নিয়েছেন এই বিষয়ে কিছু করতে পারবেন না। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঘটনার বিচার চাওয়ার। এ জন্য খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন তাঁরা।

আরেক সাংবাদিক বাহারুল ইসলাম বলেন, ‘পার্থ প্রতিম শীল আমাদের সঙ্গে যে আচরণ করেছেন, তা ভোলার মতো নয়।’

এ বিষয়ে সিনিয়র সহকারী কমিশনার পার্থ প্রতিম শীল আজ বেলা ১১টার দিকে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, এ জাতীয় কোনো ঘটনা তাঁর জানা নেই।

জেলা প্রশাসক মনিরা বেগম বলেন, ‘আমি ঘটনার সময় ছুটিতে ছিলাম। বিষয়টি জানলাম। বিষয়টি দেখব।’