ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিশুদের বাড়ির আশপাশ ডোবার মতো। স্থানীয় তালুকদার বাড়ির পাশে একটি শুকনা জায়গা ছিল। প্রতিদিনের মতো ওই জায়গায় বাড়ির শিশুরা খেলাধুলা করছিল। এ সময় আবদুল্লাহ লাল স্কচটেপ মোড়ানো বলের মতো কিছু একটা দেখতে পায়। সেটি সে হাতে নেয়। তার সঙ্গে ছিল মারিয়াও।

আবদুল্লাহ স্কচটেপ খোলার সময় বিকট শব্দে সেটি বিস্ফোরিত হয়। এতে আবদুল্লাহর হাতের আঙুলসহ কবজির একাংশ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ছাড়া আবদুল্লাহ ও মারিয়ার শরীরের বিভিন্ন অংশ ক্ষতবিক্ষত হয়। তাদের উদ্ধার করে শ্রীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখান থেকে চিকিৎসকেরা ঢাকায় পাঠিয়ে দেন। বর্তমানে দুজনই ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের অবস্থা সঙ্কটাপন্ন।

শিশু দুটির চাচি হেনা বেগম বলেন, ‘ঘরে ভাত খাচ্ছিলাম। বিকট শব্দ শুনে ঘর থেকে বেরিয়ে আসি। প্রথমে মারিয়া আমার কাছে রক্তাক্ত অবস্থায় দৌড়ে আসে। সঙ্গে আবদুল্লাহও আসে। তার হাত দিয়ে প্রচুর রক্ত পড়ছিল। দুজনই কান্না করছিল। ছোট ছেলেমেয়ে দুটি প্রতিদিন এখানে খেলত। কে জানত আজকে তাদের জন্য এমন দুর্ঘটনা অপেক্ষা করছিল।’

শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। কোনো পরিত্যক্ত বিস্ফোরক বিস্ফোরিত হয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে এটি কী ধরনের বিস্ফোরক ছিল, তা এখনো জানা যায়নি।