সিলেটে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় ৬ নেতাকে বহিষ্কার

বিএনপির লোগো

সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী বহিষ্কৃত মামুনুর রশীদের পক্ষে কাজ করায় জকিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতিসহ ছয়জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার রাতে তাঁদের বহিষ্কার করা হয়। এ নিয়ে দলটি দেড় সপ্তাহের ব্যবধানে ওই আসনে মোট ১৫ নেতাকে বহিষ্কার করল।

আজ মঙ্গলবার সকালে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার সব আসনের সমন্বয়কের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও সিদ্ধান্ত অমান্য করায় তাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে।

গতকাল রাতে জকিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুর রহমানের কাছে জেলা বিএনপির পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘দলের মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে কাজ করায় আপনাকে দল থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হলো।’ চিঠিতে আরও বলা হয়, কেন শফিকুর রহমানকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের জন্য সুপারিশ করা যাবে না, সে বিষয়ে তাঁর বক্তব্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশনাও ওই চিঠিতে দেওয়া হয়। আরেকটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাকি পাঁচ নেতাকে বহিষ্কার করার কথা বলা হয়েছে।

বহিষ্কার হওয়া বাকি পাঁচ নেতা হলেন জকিগঞ্জ পৌর বিএনপির সহসভাপতি শামীম আহমদ, সদস্য আবদুস শাকুর, মুসা মো. এহিয়া ও আবদুস সালাম এবং পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আবদুল মালিক।

স্থানীয় বিএনপির নেতারা জানান, সিলেট-৫ আসনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী দেয়নি। এখানে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি উবায়দুল্লাহ ফারুককে বিএনপি জোটের প্রার্থী হিসেবে সমর্থন দিয়েছে। দলের এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে জেলা বিএনপির সহসভাপতি মামুনুর রশীদ স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। এরপর বিএনপি তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে।