উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সকাল থেকেই কনের বাড়িতে রান্নাবান্না চলছিল। বিয়ের আয়োজনের অংশ শামিয়ানা টাঙানো হয়। সাউন্ড বক্সে গান-বাজনাও চলতে থাকে। বিষয়টি জানতে পেরে ইউএনও আম্বিয়া সুলতানা, ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আহমদ আলী, পুলিশ ও আনসার নিয়ে বিয়েবাড়িতে হাজির হন। তবে ইউএনওর আসার খবর শুনে কনে ও তার বাবাকে কৌশলে অন্যত্র সরিয়ে দেওয়া হয়।

পরে কনের খালার বাড়িতে গিয়ে বাল্যবিবাহের সহযোগিতা করার জন্য তাঁকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া ওই ছাত্রী প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেওয়া হবে না—এ মর্মে কনের খালা মুচলেকা দেন।

ইউএনও আম্বিয়া সুলতানা বলেন, বাল্যবিবাহ বেআইনি। এতে অসংখ্য মেধাবী শিশুর জীবন ধংস হয়ে যায়। বাল্যবিবাহের খবর পেয়ে ওই গ্রামে অভিযান পরিচালনা করা হয়। কিন্ত বিয়েবাড়িতে কনেকে পাওয়া যাচ্ছিল না। কনেকে অন্য আরেকটি বাড়িতে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে তার খালাকে আটক করলে কনে হাজির হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন