এবারের ঈদ বর্ষা মৌসুমে হওয়ায় দর্শনার্থীদের সংখ্যা আরও বেড়েছে। এবার ঈদুল আজহায় ঘুরতে এসে তাঁদের খড়ের গাদা ও গোবরের দুর্গন্ধে ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে।

সম্প্রতি শাহজাদপুর থেকে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে ঘুরতে এসেছিলেন মামুনুর রহমান। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, ‘বাড়ির লোকদের অনেক গল্প করে এখানে বেড়াতে নিয়ে এসেছি। হুরাসাগরের মুক্ত হাওয়ায় দীর্ঘ সময় কাটানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু জঞ্জালের কারণে এ জায়গায় বেশিক্ষণ থাকতেই ইচ্ছা করছে না।’

নদের পারে বিভিন্ন ধরনের খাবার ও খেলনার শতাধিক ভ্রাম্যমাণ দোকান বসে। চটপটির দোকানদার সজীব মিয়া বলেন, ঈদের আগেই খড়ের পালাসহ আবর্জনা সরিয়ে জায়গাটি পরিচ্ছন্ন করে রাখলে লোকজন এসে আরও মজা পেত। নোংরা আবর্জনার কারণে অনেকেই এসে বিরক্তি প্রকাশ করছেন।

স্থানীয় লোকজন আরও বলেন, পোর্ট এলাকাটি আবর্জনামুক্ত করার পাশাপাশি সেখানে আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য উপজেলাবাসী দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছে।

বেড়া পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী ফিরোজুল আলম বলেন, পোর্ট এলাকা জঞ্জালমুক্ত করার জন্য তাঁরা পদক্ষেপ নিয়েছেন। খড়ের গাদা সরিয়ে নেওয়ার জন্য সময় বেঁধে দিয়ে মাইকিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় লোকজন আরও বলেন, পোর্ট এলাকাটি আবর্জনামুক্ত করার পাশাপাশি সেখানে আধুনিক বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য উপজেলাবাসী দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছে।

বেড়া পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী ফিরোজুল আলম বলেন, পোর্ট এলাকা জঞ্জালমুক্ত করার জন্য তাঁরা পদক্ষেপ নিয়েছেন। খড়ের গাদা সরিয়ে নেওয়ার জন্য সময় বেঁধে দিয়ে মাইকিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন