এলাকাবাসী ও এলজিইডি উপজেলা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০০১ সালে পোগলা ইউনিয়নের গুতুরা কবরস্থান থেকে আমবাড়ি বাজার সড়কের কৃষ্টপুর গ্রামের সামনে খালের ওপর সেতুটি নির্মাণ করা হয়। ৩০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৫ মিটার প্রস্থের সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয় প্রায় ৫০ লাখ টাকা। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে মালবোঝাই একটি লরি পার হওয়ার সময় সেতুটির মাঝের অংশ ধসে ছোট গর্তের সৃষ্টি হয়।

এরপর ওই বছরের বন্যায় সেতুটির দুই পাশে ও মাঝের অংশ দেবে যায়। চলতি বছরের বন্যায় সেতুটি সম্পূর্ণ মাটিতে দেবে গেছে। এর পর থেকে দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। স্থানীয় লোকজন মিলে সেতুটির দুই পাশে বাঁশ ও ওপরে মাটি দিয়ে হেঁটে চলাচলের কিছুটা উপযোগী করে তুললেও এর ওপর দিয়ে ইজিবাইক, সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ মাইক্রোবাস চলাচল করতে পারছে না। তবে বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল ও রিকশা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কলমাকান্দা উপজেলা প্রকৌশলী শুভ্রদেব চক্রবর্তী প্রথম আলোকে বলেন, ওই সেতু ভেঙে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৫ দশমিক ৫ মিটার প্রস্থের নতুন একটি সেতু তৈরির জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন হলে দ্রুতই সেতু নির্মাণের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।