নিহত শিশুর বাবা একজন কৃষক। তাঁর বাড়ির তিন–চার বাড়ি পরই কিশোরের বাড়ি। নিহত শিশু এবং ওই কিশোরের বাবা সম্পর্কে চাচাতো ভাই।

শিশুটির একজন প্রতিবেশী প্রথম আলোকে বলেন, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার পর থেকে শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। তাকে না পেয়ে শিশুটির মা প্রতিবেশীদের বিষয়টি জানান। তখন তাঁরা শিশুটির সন্ধান চেয়ে মাইকিং করেন। বাড়ির আশপাশের পুকুরে জাল ফেলেও খোঁজ করা হয়। অনেকে শিশুটির সন্ধান চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেন।  

কিশোরের মা স্কুলশিক্ষক। তিনি বুধবার বিকেলে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরেন। এ সময় ছেলেটি বাড়ির চাবি নিয়ে ঘুরছিল। চাবি চাইলে প্রথমে সে মাকে চাবি দিতে চায়নি। এক পর্যায়ে মা জোর করে চাবি নিয়ে দরজা খুলে ঘরে ঢুকে বস্তায় শিশুটির লাশ দেখেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য প্রথম আলোকে বলেন, বুধবার বিকেলে তিনি পরিষদের কার্যালয় থেকে বাড়িতে আসেন। কিছুক্ষণ পর কিশোরের মা তাঁর বাড়িতে এসে বলেন, ‘আমার বাড়িতে শিশুটির লাশ আছে।’ তখন তিনি (ইউপি সদস্য) স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে বিষয়টি জানান। সন্ধ্যায় পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।    

স্থানীয় থানার ওসি প্রথম আলোকে জানান, কিশোরকে তাঁরা হেফাজতে নিয়েছেন। সে যেসব কথা বলেছে, সেসব খতিয়ে দেখা হচ্ছে।