নীলফামারীতে ব্যানার টানানো নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা, উত্তেজনা

নীলফামারীর জলঢাকায় বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে কথা–কাটাকাটি ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে উপজেলা শহরের ট্রাফিক মোড়েছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

নির্বাচনের ব্যানার টানানোকে কেন্দ্র করে নীলফামারীর জলঢাকায় বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে কথা–কাটাকাটি ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে উপজেলা শহরের ট্রাফিক মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাত ৯টার দিকে জলঢাকা উপজেলা শহরের ট্রাফিক মোড়ে নীলফামারী-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী সৈয়দ আলীর কর্মীরা ব্যানার টাঙাতে যান। তখন ওই আসনের জামায়াত প্রার্থী ওবায়দুল্লাহ সালাফীর কর্মী সমর্থকেরা তাঁদের বাধা দেন। তাঁরা বলেন, ধানের শীষের ব্যানারের কারণে দাঁড়িপাল্লার ব্যানার ঢাকা পড়ে যাচ্ছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা এবং উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা এসে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।

এ বিষয়ে বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ আলী বলেন, ‘শনিবার রাতে আমার কর্মীরা জলঢাকা শহরের ট্রাফিক মোড়ে ধানের শীষের নির্বাচনী ব্যানার টাঙাতে যান। এ সময় জামায়াতের কর্মী–সমর্থকেরা বাধা দেন। পরে সেনাসদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। ওই ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।’

জামায়াত প্রার্থী ওবায়দুল্লাহ সালাফী বলেন, ‘জলঢাকা ট্রাফিক মোড়ে আমাদের ব্যানারের সামনে বিএনপির প্রার্থীর ব্যানার টাঙাতে গিয়েছিলেন। তখন আমার কর্মী–সমর্থকেরা তাঁদের বাধা দেন।’

এ বিষয়ে জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘শনিবার রাতে ব্যানার টাঙানোকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির প্রার্থীর কর্মী–সমর্থকদের মধ্যে কথা–কাটাকাটি হয়েছে। কোনো হাতাহাতির ঘটনা ঘটেনি। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আছে।’