রেলওয়ে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ছেড়ে আসা তিতাস কমিউটার ট্রেনটি স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে প্রবেশ করছিল। শত শত যাত্রীর সঙ্গে ট্রেনে ওঠার অপেক্ষায় ছিলেন রাসেল মিয়াও। ট্রেনটি প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে চলন্ত অবস্থায় তিনি লাফ দিয়ে একটি বগির দরজার হাতল ধরতে চেষ্টা করেন। এ সময় হাতল থেকে হাত ফসকে প্ল্যাটফর্ম ও ট্রেনের ফাঁক দিয়ে রেললাইনে পড়ে যান। এতে তাঁর মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ থেঁতলে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় রাসেলকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখান প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক ইকবাল হোসেন বলেন, শত শত মানুষের সামনে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকায় নেওয়ার পথে ওই যুবকের মৃত্যু হয়।