আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘১৯৭৫ সালে যারা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যা করেছে এবং স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে, তারাই আবার বাংলাদেশের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করতে ষড়যন্ত্র করছে। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাসংগ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বর্বর বাহিনীর অত্যাচার আপনারা দেখেছেন। সেই যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের রক্তে এ দেশ অর্জিত হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে আনিসুল হক বলেন, শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় এলেই দেশের উন্নয়ন হয়। শেখ হাসিনা এ দেশের জনগণের জীবনমান উন্নয়ন করেছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বাড়িয়েছেন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু বানিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতি এবং বিশ্বের দরবারে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন।

বাবার স্মৃতিচারণা করে মন্ত্রী বলেন, তাঁর বাবা প্রয়াত সিরাজুল হক মুক্তিযুদ্ধের সময় অন্যতম সংগঠক ছিলেন। তিনি এ এলাকার সংসদ সদস্য ছিলেন। এলাকার উন্নয়নে তিনি ব্যাপক অবদান রেখেছেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা হিসেবে কাজ করেছেন। বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলার রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলিও ছিলেন।

কসবা পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মো. গোলাম হাক্কানীর সভাপতিত্বে স্মরণসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কসবা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদুল কাওসার ভূঁইয়া, কসবা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. মনির হোসেন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা সিদ্দিকী, কসবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী মো. আজহারুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্য ও কসবা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. আবদুল আজিজ, জেলা পরিষদের সংরক্ষিত সদস্য রুমানুল ফেরদৌসী, কসবা পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. এমরান উদ্দিন, কসবা পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. রুস্তম খাঁ, উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মো. আফজাল হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মানিক, আশরাফুল ইসলাম প্রমুখ।