প্রধান অতিথির বক্তব্যে সৈয়দ এমরান সালেহ বলেন, জনগণ রাজপথে নেমে আসছে। শুধু গণসমাবেশ নয়, প্রতিটি কর্মসূচিতেই জনগণ সম্পৃক্ত হচ্ছে। কর্মিসভাও গণসমাবেশে পরিণত হচ্ছে। যার মাধ্যমে গণ–অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তৈরি হচ্ছে। গণ–অভ্যুত্থানে গণবিরোধী সরকারের পতন ঘটিয়ে গুম-খুনের হোতা ও দুর্নীতিবাজদের বিচার করা হবে। কাউকে পালাতে দেওয়া হবে না।

বিএনপির গণসমাবেশ নিয়ে ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য প্রসঙ্গে এমরান সালেহ বলেন, বিএনপি নাকি গণসমাবেশের নামে নাটক করছে। যাঁরা এই আন্দোলনকে নাটক বলছেন, তাঁরা জনগণকে অপমানিত করছেন। যাত্রাপালার খলনায়কের মতো কথা বলছেন তাঁরা।

এমরান সালেহ বলেন, দেশের বারোটা বাজিয়ে প্রধানমন্ত্রী এখন জনগণকে মিতব্যয়ী হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। নিজেদের বেতন-ভাতা কমিয়ে, অনুৎপাদনশীল খাতে অপচয়, চুরি বন্ধ করে যদি নসিহত করা হতো, তবে জনগণ মেনে নিত। এসব নসিহত না করে পদত্যাগ করতে হবে প্রধানমন্ত্রীকে।

ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এনায়েত উল্লাহর সভাপতিত্বে কর্মিসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ারেস আলী মামুন ও শরীফুল আলম। জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদারের সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান, উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য শাহ নূরুল কবীর, ইয়াসির খান চৌধুরী, মফিজ উদ্দিন, আজিজুল হক, কামরুজ্জামান, হারুন অর রশিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আমজাদ আলী, আসলাম মিয়া, হানিফ মোহাম্মদ শাকের উল্লাহ প্রমুখ।