জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন কার্যক্রম যাতে জনবান্ধব ও কার্যকরী হয়, সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করে রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড বলেন, এ দেশের তৃণমূল পর্যায়ে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম কীভাবে হচ্ছে, তা দেখতে পেরে তিনি মুগ্ধ হয়েছেন।

কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হকের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তৃতা করেন ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি সেলডন ইয়েট, ইউনিসেফ বাংলাদেশের জাতীয় পরামর্শক ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাবেক সচিব শেখ মুজিবুর রহমান, কলাপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম রাকিবুল আহসান, পটুয়াখালী জেলার স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. হুমায়ুন কবীর, কলাপাড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ ও টিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান প্রমুখ।

সভায় জানানো হয়, জন্মনিবন্ধন কার্যক্রমকে গতিশীল করতে ইউনিসেফ বাংলাদেশ সহায়তা করছে। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদে বুধবার ছিল জন্মনিবন্ধন ক্যাম্পেইনের প্রথম দিন। দেশে ও দেশের বাইরে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোতে পাঁচ সহস্রাধিক জন্মনিবন্ধন কার্যালয় আছে। পর্যায়ক্রমে এসব কার্যালয়ে একইভাবে ইউনিসেফের সহায়তায় জন্মনিবন্ধন ক্যাম্পেইন করা হবে।

ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট বলেন, বাংলাদেশ সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। ইউনিসেফ এ কার্যক্রমে সাধ্যমতো সহায়তা করে যাবে।

এর আগে সুইস রাষ্ট্রদূত কলাপাড়া পৌর শহরের ঐতিহ্যবাহী মঙ্গলসুখ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। তিনি সেখানে বিদ্যালয়ের প্রাক্‌-প্রাথমিক শিক্ষার পাঠদান কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন। সুইস রাষ্ট্রদূত কলাপাড়া উপজেলায় ইউনিসেফ পরিচালিত আরও বেশ কিছু কার্যক্রম দেখতে উপজেলার নীলগঞ্জ ও কুয়াকাটা পর্যটন এলাকা পরিদর্শন করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন