স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, ছেলে মনির ব্যাপারীর মোটরসাইকেলের পেছনে বসা ছিলেন শাহজাহান। হঠাৎ তিনি মোটরসাইকেল থেকে সড়কের ওপর পড়ে যান। কিছু দূর যাওয়ার পর ছেলে বিষয়টি টের পান এবং তাঁর বাবার কাছে ছুটে যান। আহত শাহজাহানকে উদ্ধার করে প্রথমে বাবুগঞ্জ কলেজ গেটসংলগ্ন গ্রিন লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এবং পরে সেখান থেকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।

স্বজনেরা জানান, মুলাদী থানার মনির হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে ৬ নভেম্বর পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদস্যরা শাহজাহান ব্যাপারীকে গ্রেপ্তার করে। এরপর তিনি কারাগারে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে কারা কর্তৃপক্ষ শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। সম্প্রতি পরিবারের সদস্যরা অসুস্থতার কথা উল্লেখ করে আদালতে তাঁর জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার তা মঞ্জুর করেন বিচারক।

বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে শাহজাহান ব্যাপারী গুরুতর আহত হয়েছিলেন। দুর্ঘটনাস্থল-সংলগ্ন একটি বাড়ির সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, ছেলে মনির ব্যাপারীর মোটরসাইকেল থেকে হঠাৎ সড়কে ছিটকে পড়ে যান শাহজাহান ব্যাপারী। পরে উদ্ধার করে তাঁকে বরিশালের হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান।