স্থানীয় বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, কামাল হোসেন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী। তিনি বাগমারা উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি। খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য দোয়া ও স্থানীয় নেতাদের নিয়ে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন কামাল হোসেন।

এ জন্য তিনি বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) কাছে ৫ জুলাই একটি আবেদন করেন। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য আমন্ত্রণপত্র দেওয়া হয়। ওই দিন পুলিশ তাঁকে মৌখিকভাবে অনুষ্ঠানের অনুমতি দেয়।

তবে বাগমারা থানার ওসি রবিউল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, অনুষ্ঠানের জন্য কোনো অনুমতি নেওয়া বা আবেদন করা হয়নি। এ জন্য অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

আয়োজনের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন নেতা জানান, অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়ে প্রায় দুই হাজার নেতা-কর্মীর মধ্যে চিঠি বিলি করা হয়। এ ছাড়া মধ্যাহ্নভোজের জন্য দুটি ষাঁড় ও ছাগল কেনেন কামাল হোসেন। অনুষ্ঠান উপলক্ষে মঞ্চ তৈরিসহ সব ধরনের আয়োজন সম্পন্ন করা হয়। তবে গতকাল বুধবার রাতে অনুষ্ঠান করা যাবে না বলে থানা থেকে জানানো হয়। এর পর থেকে মুঠোফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আয়োজকের পক্ষে অনুষ্ঠান স্থগিতের বিষয়টি প্রচার করা হয়।

আজ বেলা ১১টার দিকে থানার ওসির নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেখানে থাকা লোকজনকে সরিয়ে দেয়। এ সময় সড়ক দিয়ে চলাচল করা কয়েকজন ব্যক্তিকে লাঠিপেটা করা হয়। একপর্যায়ে পুলিশ উপস্থিত থেকে আয়োজকদের দিয়ে ব্যানার, ফেস্টুন ও মঞ্চ সরিয়ে ফেলে।

আয়োজক কামাল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, প্রথমে পুলিশ অনুমতি দিলেও অজ্ঞাত কারণে ওপরের নির্দেশের কথা বলে অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন