মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে বগুড়া সদর থানার পুলিশ জানিয়েছে, জিন্নাতুলের কাছে ওই ছাত্রী প্রাইভেট পড়তেন। এই সুযোগে জিন্নাতুল ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে মুঠোফোনে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন। ওই ছাত্রীর দাবি, এসব ছবি ও ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে জিন্নাতুল ওই ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন। ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তিনি বিষয়টি জিন্নাতুলকে জানান। গত সোমবার ওই ছাত্রীকে শহরের একটি রেস্তোরাঁয় ডেকে নিয়ে গর্ভপাতের জন্য চাপ দিতে থাকেন জিন্নাতুল। ওই ছাত্রী এই প্রস্তাবে রাজি না হলে জিন্নাতুল তাঁকে মারধর করেন।

এ ঘটনায় পর গতকাল রাতে ওই ছাত্রী অভিযুক্ত শিক্ষক জিন্নাতুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ এনে মামলা করেন। পুলিশ রাতেই জিন্নাতুলকে গ্রেপ্তার করে।

জিন্নাতুলের দুজন প্রতিবেশী ও সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জিন্নাতুল প্রায় দেড় যুগ আগে বগুড়া শহরের এক ব্যবসায়ীর মেয়েকে বিয়ে করেন। ওই পক্ষে তাঁর দুই সন্তান আছে। ওই স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি জয়পুরহাটে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এ ছাড়া জিন্নাতুল আরও দুজন স্ত্রী আছেন বলে প্রতিবেশীরা দাবি করেছেন।

এ বিষয়ে বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বাবু কুমার সাহা বলেন, গতকাল রাতে মামলার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ বুধবার তাঁকে আদালতে নেওয়া হবে।