স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রোকসানা তাঁর ১৫ মাস বয়সী সন্তান আরাফাত হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ির পাশের অশ্বদিয়া গ্রামে যান। কিছুক্ষণ পর তিনি একা ফিরে এলে বাড়ির লোকজন তাঁকে ছেলের কথা জিজ্ঞেস করেন। এ সময় রোকসানা বলেন, ছেলেকে পুকুরের পানিতে ফেলে দিয়েছেন।

এরপর আশপাশের লোকজন অশ্বদিয়া গ্রামের পাশের মিয়াজী বাড়ির পুকুরে ভাসমান অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে চিকিত্সক মৃত ঘোষণা করেন।

মানসিক ভারসাম্যহীন রোকসানা এর আগে চারবার শিশুটিকে পানিতে ফেলে দিয়েছিলেন জানিয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন, প্রতিবার স্থানীয় লোকজন দেখে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। এবার আর কেউ দেখেননি ঘটনাটি। শিশুটির লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে।

ওসি শুভ রঞ্জন চাকমা আরও বলেন, বুধবার সকালে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে। ওই নারীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, অভাব ও হতাশা থেকে শিশুটিকে হত্যা করেন মানসিক ভারসাম্যহীন ওই মা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন