এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী পাপ্পু বিশ্বাস ওই দুজনকে আসামি করে গতকাল ভাঙ্গা থানায় মামলা করেন। মামলা দায়েরের পরই পুলিশ কর্মকর্তাসহ ওই দুজনকে গ্রেপ্তার করে ভাঙ্গা থানা-পুলিশ। পরে তাঁদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী এএসআই বাবুল হোসেনের ভাঙ্গা পৌরসভার কাপুড়িয়া সদরদী মহল্লার বাসা থেকে ছিনতাই হওয়া সোনা উদ্ধার করা হয়।

পাপ্পু তাঁর ব্যবসায়িক কাগজপত্র দেখালেও ৪০ ভরি সোনা রেখে বাকিটা ব্যবসায়ীকে ফেরত দেন এএসআই বাবুল হোসেন। এ সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তা বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য পাপ্পুকে হুমকি দেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নড়াইলের লোহাগড়া থানার কামঠানা গ্রামের অজিত বিশ্বাসের ছেলে পাপ্পু বিশ্বাসের যশোর জেলা শহরে সোনার দোকান আছে। ৭ জুলাই রাতে ভাঙ্গা বাজারের সোনারতরী জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী পলাশ বণিকসহ কয়েকজন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১১০ ভরি সোনা কেনেন পাপ্পু বিশ্বাস। সোনা কিনে ফেরার সময় রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভাঙ্গা বাজারে তাঁর পথরোধ করেন ভাঙ্গা থানার এএসআই মো. বাবুল হোসেন ও তাঁর সহযোগী মেহেদী হাসান। এ সময় পাপ্পুর কাছে থাকা সোনা অবৈধ বলে ছিনিয়ে নেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা। পাপ্পু তাঁর ব্যবসায়িক কাগজপত্র দেখালেও ৪০ ভরি সোনা রেখে বাকিটা ব্যবসায়ীকে ফেরত দেওয়া হয়। এ সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তা বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য পাপ্পুকে হুমকি দেন।

ঘটনার ছয় দিন পর পাপ্পু বিশ্বাস গতকাল ভাঙ্গা থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাম মুনতাসীর মারুফ বলেন, গতকাল মামলার পর এএসআইসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করে বিকেলেই আদালতে সোপর্দ করা হয়। ফরিদপুর ৩ নম্বর আমলি আদালতের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অরূপ বসাকের আদেশে তাঁদের কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা বলেন, ভাঙ্গা থানার এএসআই মো. বাবুল হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন