হারুনুর রশীদ প্রথম আলোর কাছে এ অভিযোগ করে বলেন, মঙ্গলবার শিবগঞ্জের ১৫ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের ২ জন ও ভোলাহাট উপজেলার ২ জন নেতা মিলিয়ে ১৯ জনকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সদর, শিবগঞ্জ, নাচোল ও ভোলাহাট থানায় ৬৩ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা প্রায় ৩০০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে ঢাকাগামী বাস থেকে নামিয়ে সদর উপজেলার হরিপুরের কাছ থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ভোলাহাট উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইয়াজদানী ও সদস্যসচিব মো. আবদুল কাদেরকে। সন্ধ্যায় শিবগঞ্জ থেকে ১৫ জন ও সদর থেকে ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার অভিযোগে নাশকতার উদ্দেশ্যে গোপন বৈঠক, ককটেল মজুত ও পুলিশের ওপর হামলার কথা বলা হয়েছে।

রাজশাহী বিভাগীয় গণসমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি সভাগুলো প্রকাশ্যে করা হচ্ছে। অথচ অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে, নাশকতার পরিকল্পনা করার জন্য গোপন স্থানে সভা করা হচ্ছে।
হারুনুর রশীদ, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য

হারুনুর রশীদ বলেন, রাজশাহী বিভাগীয় গণসমাবেশ সফল করতে প্রস্তুতি সভাগুলো প্রকাশ্যে করা হচ্ছে। অথচ অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে, নাশকতার পরিকল্পনা করার জন্য গোপন স্থানে সভা করা হচ্ছে।

এজাহার সূত্রে সদর, শিবগঞ্জ, নাচোল ও ভোলাহাট থানার মামলায় গ্রেপ্তারে সংখ্যা ১৯, এজাহারনামীয় আসামির সংখ্যা ৬৩ ও অজ্ঞাতনামা আসামির সংখ্যা প্রায় ৩০০ জনের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, শিবগঞ্জ, নাচোল ও ভোলাহাট থানায় খোঁজ নিয়ে মামলা ও হারুনুর রশীদ উল্লিখিত আসামির সংখ্যার সত্যতা পাওয়া গেছে।

অভিযোগের ব্যাপারে বক্তব্য জানার জন্য পুলিশ সুপার এ এইচ এম আবদুর রকিবের মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।