নিহত মনসুরের পরিবার ও থানা–পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে কালিকাপুর গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম নামের এক ব্যক্তি মনসুরকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর মনসুর দীর্ঘ সময় পরও বাড়ি না ফেরায় পরিবারের লোকজন তাঁকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। মনসুরের ব্যবহৃত মুঠোফোন নম্বরটিও বন্ধ ছিল। আজ সকালে গ্রামের একটি বাগানের মধ্যে মনসুরের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন তাঁর স্বজনদের খবর দেন। খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মান্দা থানা–পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মনসুরের লাশ উদ্ধার করে।

মনসুরের স্ত্রী হাছিনা বেগম বলেন, জাহাঙ্গীর গতকাল রাতে জরুরি কথা আছে বলে মনসুরকে ডেকে নিয়ে যান। বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় মনসুর বলে গিয়েছিলেন, কথা বলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই তিনি ফিরে আসবেন। কিন্তু পরে আর বাড়িতে ফেরেননি। বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকেই জাহাঙ্গীরের মুঠোফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যায়। হাছিনা বেগমের দাবি, তাঁর স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যার সঙ্গে জাহাঙ্গীর জড়িত বলে তিনি দাবি করেন।

এ ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর গা ঢাকা দিয়েছেন। তাই এ বিষয়ে তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর-এ-আলম সিদ্দিকী বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শ্বাসরোধ করে মনসুরকে হত্যা করা হয়েছে। লাশ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।