তরোয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যাওয়া বৃদ্ধ ব্যক্তির নাম আবদুল করিম (৭৫)। তাঁর বাড়ি রায়পুরার টকিপুরা এলাকায়। তবে তিনি সম্প্রতি শহরের তরোয়ার বিলাসদী এলাকায় ছেলের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন।

রেলওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, গতকাল সন্ধ্যার আগে তরোয়া এলাকার মাজারসংলগ্ন রেললাইন ধরে হাঁটছিলেন আবদুল করিম। এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা নোয়াখালীগামী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেনটি তরোয়া এলাকা অতিক্রম করছিল। ওই ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলে নিহত হন তিনি। পরে খবর পেয়ে নরসিংদী রেলওয়ে ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁর ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নিয়ে আসে।

এদিকে রায়পুরা শ্রীনিধি রেলস্টেশন এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া নিহত নারীর নাম-পরিচয় জানার চেষ্টা করছে রেলওয়ে পুলিশ। ট্রেনে কাটা পড়ে ওই নারীর মাথা থেঁতলে গেছে এবং দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। রেলওয়ে পুলিশের ধারণা, সিলেট থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী কালনী এক্সপ্রেস ট্রেনটি দুপুর ১২টার দিকে শ্রীনিধি এলাকা অতিক্রমের সময় কাটা পড়েন ওই নারী। এলাকাটি নির্জন হওয়ায় সেখানে লোকজনের চলাচল কম। বিকেলের দিকে রেলওয়ের এক মিস্ত্রি ওই রেললাইন ধরে কাজে যাওয়ার সময় সেখানে একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তিনি বিষয়টি ভৈরব রেলওয়ে থানায় জানান। তাঁর মাধ্যমে খবর পেয়ে নরসিংদী রেলওয়ে ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করে নরসিংদী রেলওয়ে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। আজ মঙ্গলবার সকালে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইমায়েদুল জাহেদী ট্রেনে কাটা পড়া দুটি লাশ উদ্ধারের খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন