বানরটিকে পর্যবেক্ষণের জন্য বন বিভাগের কাছে রাখা হয়েছে উল্লেখ করে মৌলভীবাজার বন ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, প্রাণীটি সুস্থ আছে। শিগগিরই এটিকে অবমুক্ত করা হবে।

বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লজ্জাবতী বানর লাজুক বানর হিসেবেও পরিচিত। এদের ইংরেজি নাম বেঙ্গল স্লো লরিস। বানরের এ প্রজাতি বনের উঁচু গাছে থাকে।

আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের লাল তালিকার নয়টি ভাগের মধ্যে লজ্জাবতী বানরকে ‘বিপন্ন’ প্রাণী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। বাংলাদেশে এরা মূলত চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের চিরসবুজ বনের বাসিন্দা।

বাংলাদেশের ১৯৭৪ ও ২০১২ সালের বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-১ অনুযায়ী প্রজাতিটি সংরক্ষিত প্রাণী। বানর–জাতীয় প্রাণীর মধ্যে এটি দেশের ক্ষুদ্রতম।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন