এ সময় তিনি বিএনপির নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার পদত্যাগ না করা পর্যন্ত নেতা-কর্মীদের রাজপথে থাকতে হবে। রংপুরের বিভাগীয় সমাবেশের আগে সরকার যানবাহন বন্ধ করেছিল। তারপরও সমাবেশে জনতার ঢল নেমেছিল। আগামী ডিসেম্বরে রাজশাহীতে সমাবেশ হবে। সেখানেও সরকার একই কায়দায় জনতার ঢল আটকানোর চেষ্টা করবে। আপনারা প্রয়োজনে পায়ে হেঁটে সমাবেশে যোগ দেবেন। এই সরকার বিএনপির সমাবেশে লোকজনের উপস্থিতি দেখে ভয় পেয়েছে। বিএনপির সমাবেশের আগে সরকার নিজেই যানবাহন বন্ধ করে হরতাল পালন করেছে। সরকারের দুঃশাসন ও লুটপাটের কারণে দেশে জনগণ জেগে উঠেছে, সরকার পালানোর পথ খুঁজে পাবে না।

সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল, কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ শাহীন শওকত, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম এ মতিন, জাসাসের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদুল আলম, নওগাঁ পৌরসভার মেয়র নাজমুল হক, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক, সদস্যসচিব বায়জিদ হোসেন প্রমুখ।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় অধিবেশনে বিকেল চারটায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদে ফজলে হুদা ও সাধারণ সম্পাদক পদে আবদুল হাদী চৌধুরীর নাম ঘোষণা করা হয়। ২০১৪ সালে বদলগাছি উপজেলা বিএনপির সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনেও ফজলে হুদা সভাপতি ও আবদুল হাদী চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন। ২০১৯ সালের ওই কমিটিকে বিলুপ্ত করে জাকির হোসেন চৌধুরীকে আহ্বায়ক করে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।