এ সময় সদ্য ঘোষিত কমিটির সহসভাপতি তৌহিদুর রহমান, মিথিলেস কুমার, রাকিবুল হাসান, সিদ্ধার্থ কুমার সাহা ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, এটি অযোগ্য কমিটি। সদ্য ঘোষিত কমিটিতে ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা হয়নি। টাকার বিনিময়ে পদ-বাণিজ্য হয়েছে। অযোগ্য কমিটি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন কর্মসূচি চলবে।

নতুন কমিটিতে সহসভাপতি পদ পাওয়া তৌহিদুর রহমান সভাপতি পদপ্রত্যাশী ছিলেন। তৌহিদুর বলেন, যাঁরা কখনো বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে রাজপথে লড়াই-সংগ্রামে অংশ নেননি, যাঁরা কখনো ছাত্রলীগের আদর্শিক রাজনীতি করেননি, তাঁদের নিয়ে গঠিত জেলা ছাত্রলীগের ঘোষিত কমিটি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদ পাওয়া আল-মাহিদুল ইসলামকে জেলা ছাত্রলীগের কর্মসূচিতে কেউ কখনো দেখেননি। তিনি জেলা ছাত্রলীগের প্রাথমিক সদস্যও নন।

অভিযোগের বিষয়ে নবগঠিত কমিটির সভাপতি সজীব সাহা বলেন, আগের কমিটিতে তিনি পদে ছিলেন। পদ পাওয়ার আগেও তিনি ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে সব কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতেন। তবে এখন যাঁরা পদবঞ্চিত বলে আন্দোলন করছেন, তাঁরাই আগের কমিটিতে কোনো পদে ছিলেন না। আর সাধারণ সম্পাদক পদ পাওয়া আল-মাহিদুল আগে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।

বিক্ষোভ মিছিল থেকে স্কুলবাস ভাঙচুর

এদিকে কাঙ্ক্ষিত পদ না পাওয়া নেতা-কর্মীদের বিক্ষোভ মিছিল থেকে একটি স্কুলবাস ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বেলা একটার দিকে শহরের সাতমাথায় বিএফ শাহীন স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থী পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। বাসটিতে কোনো শিক্ষার্থী না থাকায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে সূত্রে জানা যায়, কাঙ্ক্ষিত পদ না পাওয়া নেতা ও তাঁদের কর্মী-সমর্থকেরা সকাল থেকেই সাতমাথা এলাকায় বিক্ষোভ করছিলেন। এ সময় বিএফ শাহীন স্কুল ও কলেজের নাম লেখা একটি বাস সাতমাথা থেকে কবি নজরুল ইসলাম সড়ক হয়ে ক্যাম্পাসে ফিরছিল। তখন ছাত্রলীগের বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা হামলা চালিয়ে লাঠি দিয়ে ভাঙচুর করেন। বাসটি ভাড়ায়চালিত বলে জানা গেছে।

বগুড়া সদর ফাঁড়ির ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) শাহীনুজ্জামান বলেন, একটি স্কুলবাসের কাচ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁরা শুনেছেন। তবে এখনো কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।