রংপুর-১ : আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীকে নোটিশ

প্রতীকী ছবি

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে রংপুর-১ আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।

রংপুর-১ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির চেয়ারম্যান ও রংপুরের ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ সামিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই নোটিশ গত বৃহস্পতিবার দুই প্রার্থীকে দেওয়া হয়। তবে আজ রোববার বিষয়টি জানাজানি হয়।

ওই দুই প্রার্থীকে আগামীকাল সোমবার সকালে সশরীর উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কার্যালয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএনপির প্রার্থী মোকাররম হোসেনকে দেওয়া নোটিশে বলা হয়েছে, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারণার উদ্দেশে রংপুর-১ আসনের মেট্রো পুলিশ লাইনসের পাশে লিফলেট/হ্যান্ডবিলকে পোস্টার আকারে লাগিয়েছেন, যা সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫এর ৭ (ক)–এর পরিপন্থী। এটি নির্বাচনের সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ পরিবেশ বিনষ্ট করার শামিল, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।’

এ বিষয়ে মোকাররম হোসেন দাবি করেন, ছোট ছোট হ্যান্ডবিলকে পোস্টার আকারে তিনি লাগাননি। আগামীকাল তাঁকে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তিনি তাঁর ব্যাখ্যা দেবেন।

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রায়হান সিরাজীর বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রচারণার উদ্দেশে রংপুর-১ আসনের বিভিন্ন স্থানে গাছের মধ্যে ফেস্টুন লাগানোর অভিযোগ আনা হয়েছে; যা নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫এর ৭ (ক)–এর পরিপন্থী। একই সঙ্গে এটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে রায়হান সিরাজী প্রথম আলোকে বলেন, তারকাঁটা দিয়ে তাঁর কোনো সমর্থক হয়তো গাছে পোস্টার লাগিয়েছেন। এটা তাঁদের নজরে পড়েছে। তিনি হাজির হয়ে নোটিশের জবাব দেবেন।

রংপুর-১ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা গঙ্গাচড়া উপজেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা জেসমিন আখতার প্রথম আলোকে বলেন, নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি ওই দুই প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে কেন তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—এই মর্মে সোমবার তাঁদের সশরীর উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।