গতকাল চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা যুবলীগের ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন করে কেন্দ্রীয় যুবলীগ। এখন ৩৬ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে দিদারুল ইসলামকে সভাপতি ও জহুরুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।

মোহাম্মদ ফারুক প্রথম আলোকে বলেন, জুনিয়র এবং আওয়ামী লীগ থেকে এনে যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক করা কমিটিতে থাকা আত্মসম্মানের ব্যাপার। শুধু তা–ই নয়, যিনি সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন, সম্মেলনে তিনি প্রার্থী ছিলেন না এবং কোনো জীবনবৃত্তান্তও জমা দেননি। আর সাধারণ সম্পাদক পদে যিনি দায়িত্ব পেয়েছেন, তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তাই তিনি লিখিতভাবে পদত্যাগ করেছেন।

মোহাম্মদ ফারুক আরও বলেন, যুবলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এবং চট্টগ্রাম বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের দপ্তরে তিনি পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। কমিটিতে দায়িত্ব পালন না করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন কর্মী হিসেবে থাকতে চান তিনি।

এ বিষয় আরেক যুবলীগ নেতা পার্থ সারথী চৌধুরীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তবে তিনি তাঁর ফেসবুকে যুবলীগ চেয়ারম্যানের কাছে একটি পদত্যাগপত্র পোস্ট করেছেন।

ওই পোস্টে তিনি লেখেন, ২৮ মে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের আগে সভাপতি পদে তিনি জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছিলেন। সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে সভাপতি পদে তাঁর পক্ষে প্রস্তাবও সমর্থন করা হয়। কিন্তু ১৬ নভেম্বর ঘোষিত কমিটিতে তাঁকে সহসভাপতি ঘোষণা করা হয়। তিনি সহসভাপতি পদে জীবনবৃত্তান্ত জমা দেননি। তাই সদ্য ঘোষিত কমিটি থেকে তিনি পদত্যাগ করেছেন।

সদ্য ঘোষিত কমিটি থেকে ১ নম্বর ও ২ নম্বর সহসভাপতির পদত্যাগের বিষয়ে জানতে সভাপতি দিদারুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।