দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন জেলা সদরের ভাদুরীডাঙ্গী গ্রামের সোবাহান মোল্লার ছেলে শাহজাহান মোল্লা (৫০), একই গ্রামের আবদুল বাছেদ শেখের ছেলে মিনহাজ শেখ (৪৫), শাকের মোল্লার তিন ছেলে নবী শেখ (৪৫), সুলতান মাহমুদ (৪২) ও মুক্তার শেখ (৪০), মৃত ছোবা শেখের ছেলে বাছেদ শেখ (৪০), ইনাই খাঁর ছেলে আইয়ুব খাঁ (৪২), আমির মোল্লার ছেলে আসলাম মোল্লা (৪৫), গফুর মোল্লার ছেলে লতিফ মোল্লা (৪৫), রুস্তম মোল্লার ছেলে ছোবাই মোল্লা (৪৬), বাহাই প্রামাণিক কালাম প্রামাণিক (৪০), আকুর মোল্লার ছেলে মহির মোল্লা (৪৫), হাছেন মোল্লার দুই ছেলে মোহাম্মদ আলী মোল্লা (৪৭) ও রেজাউল মোল্লা (৪৩), গফুর মোল্লার ছেলে বাবু মোল্লা (৪০), সুজানগর উপজেলার চর ভবানীপুর গ্রামের করিম মোল্লার দুই ছেলে মোকছেদ মোল্লা (৪২) ও বারেক মোল্লা (৪০), মৃত বশির মোল্লার ছেলে করিম মোল্লা (৪০), আবদুল কুদ্দুছের ছেলে খোকন (৪০), মানিকদিয়ার গ্রামের হবিবর রহমানের ছেলে রফিক রহমান (২৪) এবং জেলা সদরের কোলচুরি গ্রামের মোসলেম উদ্দিনের ছেলে বাবলু উদ্দিন (৪৫)।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৫ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে মিনহাজ, বাবলু উদ্দিন, বাছেদ শেখ, লতিফ মোল্লা ও ছোবাই মোল্লা পালতক।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৮ সালের ৭ নভেম্বর আবদুস সালাম মাঠে কাজ করছিলেন। পূর্বশত্রুতার জেরে দুর্বৃত্তরা তাঁকে হামলার উদ্দেশ্যে সেখানে ঘিরে ধরেন। সালাম দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাঁকে পেছন থেকে গুলি করা হয়। পরে কুপিয়ে সালামকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির ভাই আবদুস জব্বার বাদী হয়ে ২৪ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। পুলিশ মামলার তদন্ত শেষে ১৯৯৯ সালের ১ আগস্ট ২৪ জন আসামিকেই বহাল রেখে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। এর মধ্যে মামলা চলা অবস্থায় তিনজন মারা গেছেন। পরে আদালত দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি ইউসুফ আলী বলেন, আদালতে প্রমাণিত হয়েছে যে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। এ রায়ের মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।