দলীয় সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুর জেলার ৭টি উপজেলা থেকে ১৫ হাজার নেতা-কর্মী বরিশালের গণসমাবেশে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। ইতিমধ্যে নেতা-কর্মীদের নিয়ে প্রস্তুতি সভা ও গ্রাম মার্চ করেছেন জেলার নেতারা। আজ বৃহস্পতিবার সড়কপথে নেতা-কর্মীদের একটি অংশ বরিশালে পৌঁছেছে। তারা সন্ধ্যার পর বরিশাল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে অবস্থান করবে। এরপর আজ রাতে দলের অন্যান্য নেতা-কর্মী লঞ্চ ও ট্রলারযোগে বরিশালে পৌঁছাবেন। শুক্রবার সারা দিন ও রাত তাঁরা বঙ্গবন্ধু উদ্যানে অবস্থান করবেন। সমাবেশস্থলে রান্নার আয়োজন করা হবে। সেখানে তাঁবু ও শামিয়ানা টানিয়ে নেতা-কর্মীরা রাত যাপন করবেন।

জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন বলেন, ‘আমাদের কিছু নেতা-কর্মী সড়কপথে বিভিন্ন যানবাহনে বরিশালের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। মোটরসাইকেলেও কিছু নেতা-কর্মী বরিশালে যাবেন। আজ রাতে আমাদের নেতা-কর্মীদের বড় অংশটি ট্রলারে নৌপথে বরিশাল যাবে। এ জন্য ২০টি ট্রলার ভাড়া করা হয়েছে। মঠবাড়িয়া উপজেলা থেকে আমরা পাঁচ হাজার নেতা-কর্মী বরিশালের সমাবেশে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছি।’

নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অহিদুজ্জামান বলেন, ‘আমরা ১২টি ট্রলার ভাড়া করেছি। এসব ট্রলারে তিন হাজার নেতা-কর্মীর বরিশাল যাওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে।’

পিরোজপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন বলেন, ‘ইতিমধ্যে আমাদের নেতা-কর্মীদের পুলিশ হয়রানি শুরু করেছে। ট্রলারের মালিকদের ট্রলার ভাড়া না দেওয়ার জন্য বলছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা। তারপরও আমরা যেকোনো মূল্যে শুক্রবার ভোরের মধ্যে বরিশালে সমাবেশস্থলে পৌঁছাব।’