শেখ হেলাল উদ্দিন বলেন, যারা অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখে, বৈধ সরকারের বিরুদ্ধে সংবিধানকে লঙ্ঘন করে হুমকি দেয়, তাদের ডিসেম্বর থেকে আর সুযোগ দেওয়া হবে না। বিএনপির নেতাদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আন্দোলন করেন, আপনাদের কেউ বাধা দেবে না। কিন্তু আইন হাতে তুলে নিলে পরিণতি ভালো হবে না। আওয়ামী লীগের তৃণমূলের কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনের নামে বিএনপির সন্ত্রাসী কার্যক্রম রুখে দেব।’

যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক ও এস এম কামাল হোসেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদারের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য দেন মাগুরা-২ আসনের সংসদ সদস্য বীরেন সিকদার, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, যশোরের সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন, নাসির উদ্দিন, কাজী নাবিল আহমেদ, রণজিৎ কুমার রায়, ঝিনাইদহের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম, যশোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান প্রমুখ। বেলা তিনটা থেকে শুরু হয়ে এ বর্ধিত সভা চলে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত।

প্রধানমন্ত্রীর জনসভার খবরে যশোরে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শেখ হাসিনার জনসভা সফল করতে আয়োজিত বর্ধিত সভায় যশোরের আট উপজেলার বিভিন্ন স্তরের নেতা–কর্মীদের সরব অংশগ্রহণে মুখর ছিল জেলা পরিষদ মিলনায়তন প্রাঙ্গণ। বর্ধিত সভায় যশোর জেলা ছাড়াও ঝিনাইদহ, মাগুরা ও নড়াইল আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতারা অংশ নেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর যশোর ঈদগাহ মাঠের জনসভায় ভাষণ দেন।