আহত শাহনেওয়াজ প্রথম আলোকে বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে তিনি গ্রামের বাড়িতে আসেন। বাড়িতে আসার পর থেকেই তিনি বিভিন্ন স্থানে দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ঘরোয়াভাবে মতবিনিময় করছিলেন। এর মধ্যে গতকাল দুপুরের দিকে তিনি সোনাদিয়া ইউনিয়নের মাইজদী বাজারে গেলে ছাত্রলীগের ১০ থেকে ১৫ জন কর্মী তাঁর ওপর হামলা চালান।

শাহনেওয়াজ অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা তাঁকে বেধড়ক মারধর করেন। তাঁরা তাঁর সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ও মুঠোফোন ছিনিয়ে নিয়ে যান। পরে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন। তিনি স্থানীয় পল্লি চিকিৎসকের মাধ্যমে বাড়িতে চিকিৎসা নিয়েছেন। নিরাপত্তার কারণে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হননি বলে দাবি করেন।

হামলার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবদুর রাজ্জাক প্রথম আলোকে বলেন, ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী মাইজদী বাজার এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় ছাত্রদল নেতার সঙ্গে থাকা কর্মীরা তাঁদের উদ্দেশে আপত্তিকর মন্তব্য করেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সামান্য হাতাহাতি হয়েছে। তবে ছাত্রদলের নেতার ওপর ছাত্রলীগের কেউ হামলা করেননি বলে তিনি দাবি করেন।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ছাত্রদলের এক নেতার ওপর হামলার কথা তাঁকে ফোনে জানানো হয়েছিল। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জাহাজমারা তদন্তকেন্দ্র থেকে একজন কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছেন। কিন্তু ঘটনার বিষয়ে ছাত্রদলের নেতার পক্ষ থেকে এখনো কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন