রবিউলের শরীরের ছয়টি স্থানে আঘাতের চিহ্ন

বাংলাদেশ–ভারত সীমান্তফাইল ছবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার জোহরপুরটেক সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে আটকের পর মৃত রবিউল ইসলামের (৩৫) শরীরের ছয়টি স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তিনি নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে দাবি পরিবারের।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে রবিউল ইসলামের ময়নাতদন্ত করা হয়। এ সময় তাঁর বুকের ডান দিক, পা, হাতের আঙুল, গালসহ ছয়টি স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। ময়নাতদন্ত শেষে দুপুরে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

বিজিবির ৫৩ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘ময়নাতদন্তের লিখিত প্রতিবেদন পাওয়ার পর আমরা বিএসএফের কাছে লিখিত প্রতিবাদ জানাব।’ তিনি জানান, গতকাল সোমবার রাত সোয়া ৯টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের জোহরপুরটেক সীমান্তে রবিউল ইসলামের লাশ হস্তান্তর করে বিএসএফ। বিএসএফ বিজিবিকে জানায়, গত রোববার ভোরে ভারতের অভ্যন্তরে নদীতে রবিউল ইসলাম বিএসএফের হাতে আটক হন। পরে তাঁকে ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ভারতের হাসপাতালেও তাঁর ময়নাতদন্ত হয়েছে। তিনি মৃগী রোগী ছিলেন।

উল্লেখ্য, রবিউল ইসলাম সদর উপজেলার পদ্মা নদীর ওপারে নারায়ণপুর ইউনিয়নের সাতরশিয়া গ্রামের বাসিন্দা। আজ বিকেল পাঁচটার দিকে সাতরশিয়া গ্রামে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রবিউলের আত্মীয় সাদিকুল ইসলাম।

আরও পড়ুন

সাদিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, লাশের গোসল করানোর সময় কয়েকজন জানিয়েছেন, রবিউলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। মৃত্যুর আগে তাঁকে নির্যাতন করা হয়েছে।