এলাকাবাসী সূত্র জানায়, আমিনুল ইসলাম ‘আমান গ্রুপের’ আমান ফিড লিমিটেডের ভেটেরিনারি চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। এ ছাড়া ট্রেনের ধাক্কায় নিহত অপর মোটরসাইকেল আরোহী আহসান হাবীব নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ থানার নিতাই ইউনিয়নের কুরবানীপাড়া এলাকার শাজাহান আলীর ছেলে। তিনি একটি ওষুধ উৎপাদন ও বিপণণকারী প্রতিষ্ঠানের বিক্রিয় প্রতিনিধি ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুর ১২টার দিকে মোটরসাইকেলে কালীগঞ্জ পৌরসভার খঞ্জনা এলাকার অরক্ষিত রেলক্রসিং অতিক্রম করছিলেন আমিনুল ও আহসান হাবীব। একই সময়ে দ্রুতগতিতে এগিয়ে আসা ঢাকাগামী সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেন‌ তাদের মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই আহসান হাবীব মারা যান এবং আমিনুল ইসলাম গুরুতর আহত হন। আমিনুলকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁকে ঢাকায় পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়েছে।

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ইউনুস কবির বলেন, বেলা পৌনে একটার দিকে আমিনুল ইসলামকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। পরে তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরে সংবাদ পাওয়া গেছে, পথে তিনি মারা গেছেন।

নরসিংদী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক সাইফুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার পর বিকেল চারটার দিকে ঘটনাস্থল থেকে আহসান হাবীব নামের একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।