সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কৃতী শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস। আজ শুক্রবার সকালে কুমিল্লা জিলা স্কুলে
ছবি: এম সাদেক

শরতের রৌদ্রোজ্জ্বল পরিবেশে কুমিল্লায় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম শিখোর পৃষ্ঠপোষকতায় ও প্রথম আলোর উদ্যোগে আজ শুক্রবার কুমিল্লা জিলা স্কুল মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ২ হাজার ৯৯৭ জন শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের সরব উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে ধর্মসাগরপাড়ের এই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ।

আজ সকাল ১০টায় জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে এ অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন কুমিল্লায় প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক গাজীউল হক। অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. জামাল নাছের, একই বোর্ডের উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, কুমিল্লা জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আবদুল হাফিজ, নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাশেদা আক্তার ও প্রথম আলোর ক্রীড়া সম্পাদক তারেক মাহমুদ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিখোর ভাইস প্রেসিডেন্ট এম মাশরুর হোসেন, দেবীদ্বার রেয়াজ উদ্দিন সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান মজুমদার, স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক তারেক ওমর। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রথম আলো কুমিল্লা বন্ধুসভার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফয়জুন্নেছা সীমা।

কুমিল্লায় জিপিএ–৫ উৎসবে অংশ নিতে নিবন্ধন করে প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী। আজ শুক্রবার সকালে কুমিল্লা জিলা স্কুলে
ছবি: প্রথম আলো

অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন সংগীতশিল্পী আশিক, কুমিল্লা বন্ধুসভার সাধারণ সম্পাদক সালমা হক ও সদস্য উম্মে সায়মা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রথম আলো কুমিল্লা বন্ধুসভার সদস্য রুবাইয়া সুলতানা। পুরো আয়োজনে সহযোগিতা করেছে প্রথম আলো কুমিল্লা জেলা ও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভা।

অনুষ্ঠানে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কুমিল্লা মডার্ন হাইস্কুলের কৃতী শিক্ষার্থী তাহসিন তাসনিম খন্দকার বলে, ‘এ সংবর্ধনা আমাকে আরও বেশি দায়িত্বশীল, অধ্যবসায়ী ও আত্মবিশ্বাসী করবে। আগামী দিনের পৃথিবীটা আমাদের। আমরাই সেই পৃথিবী গড়ব।’

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. জামাল নাছের বলেন, সংবর্ধনার মাধ্যমে কৃতী শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা দিল প্রথম আলো। এরাই বাংলাদেশকে এগিয়ে নেবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ এক আলোকিত বাংলাদেশ গড়বে।

প্রথম আলোর ক্রীড়া সম্পাদক তারেক মাহমুদ বলেন, প্রথম আলো বাংলাদেশের জয় দেখতে চায়। সামাজিক নানা ধরনের কাজ করে প্রথম আলো সব শ্রেণির মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। সংবাদে ও সামাজিক কর্মযজ্ঞে প্রথম আলোর অগ্রযাত্রায় পাঠকই বড় শক্তি।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী আশিক
ছবি: প্রথম আলো

প্রথম আলোর আয়োজনে ও শিখোর পৃষ্ঠপোষকতায় সারা দেশের ৬৪ জেলায় ১১ সেপ্টেম্বর থেকে পর্যায়ক্রমে এই অনুষ্ঠান হচ্ছে। এবারের উত্সবটি পাওয়ার্ড বাই বিকাশ। সহযোগিতা করছে কনকর্ড গ্রুপ, ফ্রেশ, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ শাখা ক্যাম্পাস, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, এটিএন বাংলা ও প্রথম আলো বন্ধুসভা।

সংবর্ধনায় শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট, প্রথম আলো ই-পেপার (১ মাস) ও চরকির (১৫ দিন) ফ্রি সাবস্ক্রিপশন, শিখোর সৌজন্যে বিনা মূল্যে কোর্স ও ফ্রেশ ব্র্যান্ডের স্ন্যাকস বক্স।