জাজিরায় কবরস্থান থেকে ১২টি ককটেল উদ্ধার

জাজিরার কবিরাজ কান্দি এলাকায় একটি কবরস্থান থেকে ১২ টি ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশছবি: সংগৃহীত

শরীয়তপুরের জাজিরা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কবিরাজকান্দি এলাকা থেকে ১২টি ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। ওই এলাকার একটি কবরস্থানের ভেতরে বালতিতে রাখা অবস্থায় ককটেলগুলো জব্দ উদ্ধার হয়। এ ঘটনায় রোববার জাজিরা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে পুলিশ।

জাজিরা থানা সূত্র জানায়, গতকাল শনিবার বিকেলে জাজিরা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কবিরাজকান্দি এলাকায় একটি বিস্ফোরণের আওয়াজ হয়। ওই ঘটনার পর এলাকার মানুষ আতঙ্কিত হয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানান।

পরে জাজিরা থানার পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় গিয়ে বিস্ফোরণ ঘটার স্থানে অনুসন্ধান চালায়। প্রথমে পুলিশ বিস্ফোরণের স্থান চিহ্নিত করে। এরপর বিস্ফোরণস্থলের খানিকটা দূরে একটি কবরস্থানের ভেতরে বালতির মধ্যে ককটেলের সন্ধান পায়। পরে ককটেলগুলো উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়। কবরস্থানের ভেতরে লতাপাতা ও ঘাসের নিচে কাঠের গুঁড়ি দিয়ে ককটেলসহ বালতিটি ঢেকে রাখা হয়েছিল।

ককটেলগুলো পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়ার কারণে এ ঘটনায় এখনো কোনো থানায় মামলা করা হয়নি। তবে পুলিশ একটি সাধারণ ডায়েরি করে ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে।

জাজিরা উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে ককটেল তৈরি ও বিস্ফোরণের ঘটনায় বিভিন্ন সময় দেশব্যাপী আলোচনা তৈরি হয়েছে। গত ৮ জানুয়ারি ককটেল তৈরি করতে গিয়ে বিস্ফোরণে তিন ব্যক্তির মৃত্যু হয়। প্রায়ই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটার কারণে বিলাসপুরের মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। গত এক মাসে বিলাসপুর ও তার আশপাশে চারটি স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে। জাজিরা পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের এলাকাটি বিলাসপুর লাগোয়া।

জাজিরা থানার কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেহ আহাম্মদ বলেন, জাজিরা পৌরসভার কবিরাজকান্দি এলাকায় একটি বিস্ফোরণের আওয়াজ পান গ্রামবাসী। বিস্ফোরণের কারণ ও স্থান অনুসন্ধান করতে গিয়ে পুলিশের সদস্যরা একটি কবরস্থানের মধ্যে পরিত্যক্ত ককটেলগুলো দেখতে পান। তখন একটি প্লাস্টিকের বালতি হতে ১২টি ককটেল উদ্ধার করা হয়। ওই ককটেলগুলো জব্দ করে থানায় রাখা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে পুলিশ অনুসন্ধান শুরু করেছে। আদালতের অনুমতি নিয়ে ককটেলগুলোর বিস্ফোরণ ঘটানো হবে।