মোটরসাইকেলে ছিলেন বাবা-ছেলে, বাসচাপায় প্রাণ গেল দুজনেরই

বাসের নিচে চাপা পড়ে আছে মোটরসাইকেল। আজ সকালে ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়া হাফেজিয়া রাস্তার মাথায় এলাকায়ছবি: সংগৃহীত

ফেনীতে বাসচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী বাবা-ছেলের মৃত্যু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়া হাফেজিয়া রাস্তার মাথা এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। একই দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী আরও একজন আহত হয়েছেন। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

নিহত দুজন হলেন ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার বক্তারমুন্সি বাজার–সংলগ্ন রাজাপুর গ্রামের নুরুল আলম (৪৬) ও তাঁর ছেলে নুর হাসনাত ওরফে নীরব (২৫)। আহত হয়েছেন আফজাল হোসেন (৩৫)। তিনি ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়া ইউনিয়নের সিরাজ মিয়ার ছেলে এবং নিহত নুরুল আলমের ভাগনে।

পুলিশ ও স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, নিহত নুরুল আলম ফেনীর ডায়াবেটিক হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সের চালক ছিলেন। আজ সকালে কর্মস্থল থেকে বাড়িতে ফেরেন তিনি। এরপর ভাগনে আফজাল ও ছেলে নুর হাসনাতকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে সোনাগাজীর ভাঙ্গার তাকিয়া এলাকায় অবস্থিত বোনের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। তাঁদের মোটরসাইকেলটি লেমুয়া হাফেজিয়া এলাকায় পৌঁছে মহাসড়কে ইউটার্ন নিচ্ছিল। এ সময় চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা দ্রুতগতির ‘দাউদকান্দি এক্সপ্রেস’ বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে তিন মোটরসাইকেল আরোহী গুরুতর আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নুরুল আলমকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর দুজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশে পাঠানো হয়। তবে সেখানে নেওয়ার পথে নুর হাসনাতও মারা যান।

মহীপাল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুল ইসলাম বলেন, বাসচাপায় নিহত দুজনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত মোটরসাইকেল ও বাসটিকে জব্দ করেছে পুলিশ। তবে বাসচালক পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।