মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মো. কুতুব উদ্দিন বলেন, ফজরের নামাজের জন্য আজ ভোর চারটার দিকে ঘুম থেকে উঠে তিনি দেখতে পান, আবদুল্লাহ ও জুনায়েদ বমি করছে। দুজনেই জানায়, ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় তাদের কিছুতে কামড় দিয়েছে। এ সময় তিনি আবদুল্লাহর ডান পায়ে এবং জুনায়েদের বাঁ হাতে সাপের কামড়ের ক্ষতচিহ্ন দেখতে পান। তিনি অন্য শিক্ষকদের সহায়তায় তাদের প্রথমে একজন পল্লিচিকিৎসকের কাছে নেন। অবস্থার অবনতি হলে ওই চিকিৎসকের পরামর্শে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয় তাদের। জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. আবদুল কাদের সাপের কামড়ের বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসার পরামর্শ দেন। সকাল আটটার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যায়।

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. আবদুল কাদের প্রথম আলোকে বলেন, মাদ্রাসার দুই ছাত্রকে সকাল সাতটার দিকে হাসপাতালে আনা হয়। দুই ছাত্রের সঙ্গে আসা শিক্ষকদের বর্ণনা ও ক্ষতচিহ্ন দেখে তিনি সাপে কাটার বিষয়টি নিশ্চিত হন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেন। কিন্তু ততক্ষণে শরীরে বিষ ছড়িয়ে পড়ায় তাদের বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন, সাপের কামড়ে দুই মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যুর খবর শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন