মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ২১ নভেম্বর বিকেলে উপজেলার পশ্চিম মীরপুর জলেশ্বর গ্রামের এক গৃহবধূ (১৯) স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে বাবার বাড়ির উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। কিছু দূর গিয়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামের সাগর হোসেনের সঙ্গে দেখা হয়। ওই গৃহবধূ তাঁকে অটোরিকশা ডেকে দিতে বলেন। সাগর এ সময় অটোরিকশা ডেকে না দিয়ে খেতের আল দিয়ে হেঁটে পাকা রাস্তায় গিয়ে অটোরিকশায় তুলে দেওয়ার কথা বলে ওই গৃহবধূকে নিয়ে হাঁটা শুরু করেন। মুঠোফোনে ডেকে নেন মো. বুদুকে। এ সময় কাজিহাল এলাকায় একটি পুকুরপাড়ে নিয়ে হাত-পা বেঁধে ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন তাঁরা। এ বিষয়ে কারও কাছে মুখ খুললে প্রাণনাশেরও হুমকি দিয়ে চলে যান তাঁরা। পরে ওই গৃহবধূর চিৎকারে এলাকার লোকজন ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন।

ঘটনার রাতেই স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে ওই গৃহবধূ ফুলবাড়ী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। পরে পুলিশ আসামিদের আটক করলে তাঁরা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। প্রায় তিন বছর মামলার বিচারকার্য শেষে আদালত আজ এ মামলার রায় দেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন তৈয়বা বেগম। তিনি বলেন, এ মামলায় মোট সাতজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। কম সময়ের মধ্যে মামলার রায় হয়েছে। গৃহবধূর পরিবার মামলার রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে। দ্রুত রায় কার্যকর করার আহ্বান জানান তিনি।