আট দিন বন্ধ থাকার পর সন্দ্বীপে স্পিডবোট চলাচল শুরু

যাত্রী নিয়ে সন্দ্বীপের উদ্দেশে ছেড়ে যাচ্ছে একটি স্পিডবোট। আজ সকাল ছয়টার দিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের কুমিরা ঘাট এলাকায়ছবি: স্থানীয়ভাবে সংগৃহীত

জ্বালানিসংকটে প্রায় আট দিন বন্ধ থাকার পর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের কুমিরা থেকে সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া নৌপথে স্পিডবোট চলাচল শুরু হয়েছে। আজ রোববার সকাল ছয়টা থেকে স্পিডবোট চলাচল শুরু হয়।

স্পিডবোট পরিচালনায় নিয়োজিত আরকে এন্টারপ্রাইজ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক জগলুল হোসেন বলেন, গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় একটি জ্বালানি তেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানের অকটেনবাহী লরি ঘাটে এসে পৌঁছেছে। ওই লরিতে ৯ হাজার লিটার অকটেন ছিল। জ্বালানি পেয়ে পুনরায় স্পিডবোট চলাচল শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ‘পুরো ঈদ মৌসুম স্পিডবোট চালাতে গেলে আমাদের ৮০ হাজার লিটার অকটেন দরকার। আপাতত ৯ হাজার লিটার অকটেন দিয়ে দুই দিনের মতো চালানো যাবে।’

ঘাটসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, কুমিরা-গুপ্তছড়া নৌপথে তিনটি কোম্পানি স্পিডবোট পরিচালনা করে আসছে। এর মধ্যে আদিল এন্টারপ্রাইজ ও আরকে এন্টারপ্রাইজ যৌথভাবে স্পিডবোট সার্ভিস পরিচালনা করে। তাদের ২৫টি স্পিডবোট রয়েছে। অপর কোম্পানি সন্দ্বীপ মেরিন সার্ভিস পৃথকভাবে আটটি স্পিডবোট পরিচালনা করে। তবে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তেলসংকট শুরুর আগে থেকেই সন্দ্বীপ মেরিন সার্ভিসের স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রয়েছে।

স্বাভাবিক সময়ে আরকে এন্টারপ্রাইজ ও আদিল এন্টারপ্রাইজের দৈনিক অকটেনের চাহিদা থাকে প্রায় তিন হাজার লিটার। ঈদের সময় যাত্রীর চাপ বাড়লে সেই চাহিদা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৪ হাজার ৫০০ লিটারে। তবে জ্বালানিসংকটে চলতি ৭ মার্চ থেকে এ দুই কোম্পানির কেউ অকটেন পায়নি। এ কারণে ওই দিন থেকেই স্পিডবোট চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

জানতে চাইলে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, ‘ঘাট কর্তৃপক্ষ তেল কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করে অকটেনের ব্যবস্থা করেছে। ঈদযাত্রায় জ্বালানির কোনো সমস্যা হলে বিষয়টি আমরা সমাধান করার চেষ্টা করব।’