রাজবাড়ীতে নিখোঁজের দুই দিন পর নারীর গলিত মরদেহ উদ্ধার, ধর্ষণের পর হত্যা বলে ধারণা

লাশপ্রতীকী ছবি

রাজবাড়ীর পাংশায় নিখোঁজের দুই দিন পর এক নারীর (৩৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

ওই নারী পাংশা উপজেলার বাসিন্দা। তাঁর একটি সন্তান আছে। স্বামীর সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ হয়েছে। এর পর থেকে সন্তানকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতে থাকতেন।

গত মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর ওই নারী আর ফেরেননি। গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে স্থানীয় লোকজন এক নারীর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই নারীর বাড়ি থেকে ঘটনাস্থলের দূরত্ব কয়েক কিলোমিটার। মরদেহের মুখ ও গলায় আঘাতের চিহ্ন আছে। একটি চোখও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শরীরের কিছু অংশে পচন ধরেছিল। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে, এক দিন বা এর আগে তাঁকে শ্বাস রোধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।

ওই নারীর বাড়ি থেকে ঘটনাস্থলের দূরত্ব কয়েক কিলোমিটার। মরদেহের মুখ ও গলায় আঘাতের চিহ্ন আছে। একটি চোখও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শরীরের কিছু অংশে পচন ধরেছিল।

এদিকে পরিবারের দাবি, তাঁকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তাঁরা থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মঈনুল ইসলাম।

ওসি বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল কি না, তা জানা যাবে। এর আগে নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।