সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন মাস আগে উপজেলার শোলধারা গ্রামের রাসেল মোল্লা ওরফে রুপক পাশের কাকজোর গ্রামের রহম আলীর মেয়ে সুমি আক্তারকে বিয়ে করেন। সুমি সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের স্নাতকের ছাত্রী এবং স্থানীয় বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে (এনজিও) চাকরি করতেন। পারিবারিক কলহের জেরে বিয়ের প্রায় আড়াই মাস পর গত ২১ জুলাই স্বামীর বাড়ি থেকে সুমির গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সুমির বাবা রহম আলী রাসেলকে আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। পরে সিআইডি পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

এ ঘটনায় আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আসামির দ্রুত বিচারের দাবিতে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বানিয়াজুরী এলাকায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয়। এক ঘণ্টাব্যাপী এই কর্মসূচিতে নিহত সুমির বাবা রহম আলী, মা রওশন আরা বেগম, বোন রুমি আক্তারসহ কয়েকজন এলাকাবাসী বক্তব্য দেন। মানববন্ধনে স্বজনেরা আসামি রাসেলের দ্রুত সময়ের মধ্যে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুর রহমান বলেন, নিহত গৃহবধূর স্বজনেরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করেছেন। মামলাটি সিআইডি তদন্ত করছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন